Showing posts with label চিটফান্ড. Show all posts
Showing posts with label চিটফান্ড. Show all posts

Friday, 7 April 2017

মিনিটখানেক সঙ্গে চুমন

                              মিনিটখানেক সঙ্গে চুমন
চুমন = কেমন আছেন পিসি? না মানে এখন তো সুস্থ মানুষও হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়ছে! তার ওপর আপনার ওপর তো গোটা রাজ‍্যের চাপ।

পিসি = তা যা বলেছ! এই তো ইকবাল আর কানন দিব‍্যি সুস্হ ছিল, হঠাৎ করে অসুস্থ‍্য হয়ে পড়ল।

চুমন = স্বাস্থ‍্যের কথা বললে এখন সবচেয়ে হট টপিক, গুন্ডা কন্ট্রোলের মতন বেসরকারি হাসপাতাল গুলোকেও কন্ট্রোল করতে শুরু করেছেন কি?

পিসি = তোর কি মনেহয়, পৃথাকে আমি ঘর সংসারের গল্প করতে ডেকেছিলাম! সবাই যদি বেসরকারিতে ছোটে তাহলে আমি যে সুপারস্পেশালিটির নামে নীলসাদা বাড়ি গুলো বানিয়েছি সেগুলোর কি হবে! ন‍্যায‍্য মূল‍্যের ব‍্যবসাটাও তো বন্ধ হয়ে যাবে!

চুমন = আচ্ছা পিসি, আপনি এখন আর ছবি আঁকেন না?

পিসি = কিনবে কে? যে কিনতো সে তো জেলে। তাই আর আঁকি না! সবাই তো এইসবের কদর বোঝে না!

চুমন = আচ্ছা সরকারি কর্মচারিদের ডিএ কবে বাড়বে? টেটে দূর্নিতীর অভিযোগ করছে বিরোধীরা। আপনি কি বলছেন?

পিসি = দ‍্যাখো বাপু, ভাতা হলো সরকারি অনুদান। আমি দিতেও পারি, নাও পারি। তাছাড়া অতো হুটোপাটা করলে চলবে! আমি দেব না, সে কথা তো একবারও বলিনি! এই তো আমার বিধায়করা বাইরে খাওয়া খায়ি করছে দেখে চক্ষু লজ্জায় ওদের ভাতা বাড়িয়ে দিলাম। বামেরা প্রত‍্যাখান করেছে সেটা আলাদা ব্যাপার। আর টেটের নিয়োগ ম‍্যক্সিমাম মিনিমাম থিওরি মেনেই স্বচ্ছভাবে হয়েছে।

চুমন = আচ্ছা শিশু চুরি প্রসঙ্গে কিছু বলুন? মেডিক‍্যালের মেয়েটা কিন্তু সবুজ শাড়ি পরেছিল? জুহি নাহয় অন‍্য দলের, চন্দনা তো আপনার দলের?

পিসি = দ‍্যাখো বাপু, চক্কান্ত কুৎসা আর অপপোচার করে চিটফান্ড ব‍্যবসাটা লাটে তুলে দিয়েছ! কিছু করে তো খেতে হবে নাকি! আর সবুজ শাড়ির কথায় বলি, সবুজ কিন্তু উন্নয়নের পোতিক। এটা হলো কেন্দ্র-রাজ‍্য যৌথ পোকল্প।

চুমন = সুদীপ তাপস কেমন আছে? কোনো যোগাযোগ আছে? নাকি মদনের মতন ওদেরও বয়কট করেছেন?

পিসি = দিব‍্যি আছে! তাপস তো চিলি চিকেন পিৎসার ছবি হোয়াটসঅ্যাপ করে পাঠায়। ওদের বলেছি, পুরীতে নতুন পার্টি অফিস খুলেছি। ওরা জেলে বসে আপাতত সেটার তদারকি করুক।

চুমন = অনেক প্রশ্ন হলো, এবারে আসল প্রশ্নে আসা যাক! নারদা নিয়ে কি ভাবছেন? আপনি তো বলেছিলেন আগে জানলে টিকিট দিতাম না! এখন কি করবেন? ম‍্যাথু বলেছে কেডি নাকি সমস্থ টাকা দিয়েছে। সুপ্রিম কর্টের রায় যদি বিপক্ষে যায় তাহলে আপনি কি করবেন?

পিসি = (রেগে গিয়ে ) সুপিম কোট যদি চক্কান্ত করে তাহলে আমি ইন্টারন‍্যাশান‍্যাল কোট হেগে যাবো। খচ্চার চিন্তা করি না! পাবলিকের করের টাকায় যাবো। বলেদিলুম...
তবে মনেহয় যেতে হবে না! একমাস সময় পেয়েছি তো! ঠিক ম‍্যানেজ করে নেবো। মণিপুর দিয়েই খেলা শুরু করে দিয়েছি। তবে কেডির ওপর আমি খুব খচে আছি। ওকে বুদ্ধবাবুর পাশে দেখে মনে হয়েছিল সত ব‍্যক্তি, এখন দেখছি পুরো জালি!

চুমন = তাহলে আপনি স্বিকার করছেন বুদ্ধবাবু সত? আচ্ছা আইপিএস অফিসারও আপনার পার্টির জন‍্য অনুদান নেয়?

পিসি = অনুদান যে কেউ নিতে পারে। আমার কাছে ভাগ আসলেই হলো! মদনকে নিয়ে আমার চিন্তা নেই! ওর জেল খাটা অভ‍্যেস আছে। বাকিদের নিয়ে আমার একটু চিন্তা আছে বটে। তবে জেল হলেও আমার চারটে প্রজন্ম রেডি আছে! তবে চিন্তা একটাই, নারদের অসম্পাদিত ফুটেজে যে ভাইপো আছে...
(হাসি মুখে) ও হ‍্যাঁ, আদবানী বাবু, সুসমা'জি আমার খুব প্রিয়। ওদের মধ‍্যে কাউকে আমি পরবর্তি রাষ্ট্রপতি হিসাবে দেখতে চাই।

চুমন = একটা শেষ প্রশ্ন, আপনি আগের মতন এখনও ব‍্যাগে টফি, চকলেট নিয়ে ঘোরেন?

পিসি = (এক গাল হাসি নিয়ে ) ওরে দুষ্টু, এখন কি হাইওয়ের পাশে মাচা বেঁধে আর অনশন করি! ওটা ইতিহাস....

চুমন = ধন‍্যবাদ পিসি। আমাদের চ‍্যানেলে সময় বার করে আসার জন‍্য।

পিসি = আমি কি সাধে এসেছি! জ্বালায় এসেছি!

চুমন = আপনার এতক্ষণ দেখছিলেন, মিনিটখানেক সঙ্গে চুমন। হেগে থাকে, হেগে রাখে।

Tuesday, 21 February 2017

দুই বৌদির ব‍্যক্তিগত কথপোকথন

                                                দুই বৌদির ব‍্যক্তিগত কথপোকথন
ময়না = (কেঁদে কেঁদে ) হ্যলো নন্দিনী, শুনেছিস তোর দীপ’দাকেও সিবিআই ঢুকিয়ে দিলো! শেষ রক্ষা করতে পারলুম না!
নন্দিনী = ( স্বামী জেলে সঙ্গী পেয়েছে সেই আনন্দ চেপে, দুখী দুখী ভাব করে ) হ‍্যাঁ, খবরে দেখলুম।
ময়না = ( ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে ) তোর মতন আমিও সারাদিন সিজিওতে পড়েছিলুম। বীরের মতন সাতসকালে এসেছিল, শেষে টানতে টানতে নিয়ে গেলো।
নন্দিনী = কপাল দিদি, কপাল! শাশুড়ির ওপর অবিচারের ফল এখন ভোগ করতে হচ্ছে। তা নাহলে সবাই খীর খেল, এমনকি ভিডিওতেও দেখা গেল, আর কেবল আমাদের দুজনের স্বামী ভিতরে ঢুকলো!
ময়না = শোন না, তুই তো ভালো রান্না করিস! তোর দীপ’দা পোস্ত খেতে খুব ভালোবাসে। তুই দু’দিন পোস্তোর বড়া আর আলুপোস্ত করে জেলে নিয়ে যাবি! উড়েদের জেলের রান্না যদি তোর দীপ'দা সহ্য করতে না পারে!
নন্দিনী = আচ্ছা ঠিক আছে। তুমি কবে আসছো?
‌‌‌‌‌‌‌‌‌
ময়না = আরে আমার টিকিট কনফার্ম হলেই রওনা দেব। ‌

নন্দিনী = তুমি দেরি না করে দাদার সাইকেলটা নিয়েই বেরিয়ে পড়ো!
মরনা = ধুস! সবুজসাথীর ঐ লক্কড় সাইকেল ভুবনেশ্বর পর্যন্ত আমার থোড়াই সাথ দেবে!
নন্দিনী = আরে না না! আমি বহরমপুরের সাইকেলের কথা বলছিলুম!
ময়না = না বাবা! ওটা ওর জীবনের প্রথম সাইকেল, যেতে যেতে যদি ভেঙে যায় তাহলে আর রক্ষে থাকবে না!
নন্দিনী = বলছি, মলন'দা জেলে থাকার কোনো টিপস দিলো?
ময়না = ও হ‍্যাঁ, বলতে ভুলেগেছি! মদনদা পই পই করে বারন করেছে প‍্যানিক অ্যাটাকের অভিনয় করতে। ওখানের হাসপাতালে কোনো উডবার্ন নেই!
নন্দিনী = আচ্ছা, রায় বৌদি'কে একবার ফোন করে সিবিআইয়ের হাত থেকে ছাড়া পাওয়ার টিপস চাইলে কেমন হয়!
ময়না = ধুস! উনি কিছুই জানেন না। গোকুল'দার ছাড়া পাওয়ার রহস‍্য একমাত্র শিউলি জানে।
নন্দিনী = তা দিদি আর কেউ ভুবনেশ্বরে আসছে? কিছু খবর পেলে?
ময়না = খবরে বলছিল জেলে নাকি এবারে বেদে আর তার মেয়ে জ্যোৎস্না আসছে!
নন্দিনী = বেদেকে নিয়ে চিন্তা নেই, চিন্তা তো জ‍্যোৎনাকে নিয়ে৷ আমার 'মাল'টাকে তো আমি হাড়ে হাড়ে চিনি! জেলের ভিতরেই যদি ... তুমি দীপ'দাকে বোলো ওকে সচেতন করে দিতে। জেলের বাইরে হোক বা ভিতরে, দীপ'দাই তো মূখ‍্য সচেতক!
ময়না = আমাদের স্বামীদের জেল থেকে ছাড়ানোর কোনো গা নেই দিদির!
নন্দিনী = ঠিক বলেছ দিদি, তাও দীপ'দাকে ধরতে তবুও একটু নড়েচড়ে উঠেছে! আমার বরকে ধরার পর মনে হয়েছিল, সিবিআই চন্দননগরের মালকে না ধরে একটা পকেটমারকে ধরেছে!
ময়না = আর কি এমন নড়েচড়ে উঠল শুনি! ঐ একদিন এবিপির মতন ঘন্টাখানেক অবরোধ সঙ্গে একটা শিশু মৃত‍্যু। ব‍্যাস! খেল খতম!
ময়না = যা বলেছ দিদি! ছেলে গুলোকে কোথায় এখন সিজিওতে ঢোকাবে! না এখন কলেজে কলেজে এস এফ আই পেটাতে পাঠাচ্ছে!
নন্দিনী = দিল্লীতে প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির সামনে লোক হাসাতে হাজির হয়েছিল! ওটা একটা আন্দোলন!
ময়না = নামেই সুলতান, আর পুলিশের প‍্যাঁদানির ভয়ে পালাচ্ছে। আর ঐ নাট‍্যকার জাল গাড়ির ভিতর প্রেক্ষীত খুঁজে বেড়াচ্ছে! ঢং দেখলে গা পিত্তি জ্বলে যায়!
নন্দিনী = এক সপ্তাহ হতে গেলো, এখনও গোষ্টো পালের পায়ের নিচে অনশন মঞ্চের বাঁশ পর্যন্ত পড়ল না!
ময়না = মদনার বেলায় পুষ্প বৃষ্টি, অনশন, কতো আয়োজন! আর আমাদের বরেদের বেলায় ... চক্রান্ত কে করছে আমরা বুঝি না! যেদিন ভাইপোকে তুলে নিয়ে যাবে সেদিন দেখবি হাওয়াই চটি খুলে ছুটছে!
নন্দিনী = যা বলেছ দিদি। ঠিক ফোন করে সেটিং করে নেবে! তবে আজকে একটু আশার আলো দেখেছি। দিদি অনেকদিন পর সংখ‍্যালঘু ছেড়ে সংখ‍্যাগুরুদের প্রশংসা করেছেন। মনেহয় গাড়ি ঠিক লাইনেই যাচ্ছে। জয় জগন্নাথ।
( নেটওয়ার্ক প্রবলেম )
ময়না = ধুস! জিওর কানেক্সশানটা দিনে দিনে যাচ্ছেতাই হয়ে যাচ্ছে! আচ্ছা শোন, আমি দুদিনের মধ‍্যেই যাচ্ছি। দাদার খেয়াল রাখিস! ওকে বাই!
( বি. দ্র. = বাস্তবের সাথে এই সংলাপের কোনো মিল থাকলে সেটা কাকতালীয় )

Tuesday, 4 October 2016

দেবীর আগমন

                                      দেবীর আগমন
দেবী আগে থেকেই হোয়াটস অ্যাপে খবরটা পেয়ে গিয়েছিল যে এবারে পুজোর ছুটি পঞ্চমী থেকেই, তাই আগে থেকেই প্যাকিং শুরু করে দিয়েছিল। কার্তিকের কলেজ এমনিতেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণে অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ আর গণেশের স্কুল তো ডেঙ্গুর জন্য একমাস ধরে ছুটি। সরস্বতী খুব খুশী, এবারে টেট পরীক্ষায় পাশ করেছে। তবে দেবীর একটাই আফসোস, নেশা খোর বাপটা যদি টাকা পয়সা গুলো চিটফান্ডের পিছনে না ওড়াতো তাহলে হয়তো কিছু টাকা অনুদান দিয়ে মেয়ের চাকরির ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যেত। তবে লক্ষ্মীর মনটা খারাপ! আই ফোন সেভেন কিনবে ঠিক করে রেখেছিল। তখন কি জানতো যে শিল্প চাষ দুটোরই ! ওর আসার একদম ইচ্ছে নেই!
পোলাপান নিয়ে দেবী পাহাড়ে ল্যান্ড করতেই বুঝতে পারলেন আবহাওয়া ভালো নয়! আকাশ গুরুং গুরুং করছে। মনে মনে নারদকে দুটো কাঁচা খিস্তি দিয়ে বললেন, 'হতচ্ছাড়াটা বলল কোনো সমস্যা হবেনা! পাহাড় জঙ্গল সবই এখন দাঁত ক্যেলিয়ে হাসছে। চারিদিকে কেবল উন্নয়নের জোয়ার! ব্যাটা ঢপবাজ। এখন বুঝলাম ব্যাটা ভুঁইয়ার সাথে কেন এতো ফেসবুকে চ্যাট করতো!" বাধ্য হয়েই একরাত ডেলোতে কাটিয়ে পরেরদিন রওনা হবেন স্থির করলেন।
সকালে উঠে আবার আরেক ঝামেলা! লক্ষ্মী আর সরস্বতী দুই বোনে ঝগড়া লেগে গেছে। লক্ষ্মী বলছে BMW তে যাব, আর সরস্বতীর বায়না VOLVO। দুর্গা যখন দুই বোনের ঝগড়া সামলাতে ব্যস্ত, তখন কার্তিক তার রয়্যাল এনফিন্ড স্টাট দিয়ে গণশাকে পিছনে নিয়ে বলল, ' তোমাদের ঝগড়া শেষ হলে তোমরা এসো! আমরা এগোলাম"। অনেক কষ্টে দুই বোনকে বুঝিয়ে শেষে OLA বুক করে দেবী রওনা দিলেন। মাঝ পথে হঠাৎ কার্তিকের ফোন, " মা, বাইকের তেল শেষ! পাম্পের লোক বলছে হেলমেট না থাকলে তেল মিলবে না! আমি আমাজনে একটা হেলমেট বুক করেছি। ওটা আসলেই তেল ভরে বেরিয়ে পড়বো। দেরি হলে চিন্তা করো না!"
দূর্গা কোলকাতা পৌঁছে জানলো যে তার আসতে দেরী হচ্ছে দেখে দিদি প্যান্ডেল উদ্বোধন করা শুরু করে দিয়েছে। দূর্গা রেগে গিয়ে তখন নবান্নে ফোন লাগালেন, 'কি ব্যাপার কি! আমি আসার আগেই উদ্বোধন হয়ে গেলো!" ওপার থেকে উত্তর এলো,'আমাকে এবছর ২১৪টা (২১১+বোনাস ৩) প্যান্ডেল উদ্বোধন করতে হবে। তাছাড়া আমরা কোনো কাজ ফেলে রাখা মোটেই পছন্দ করিনা। আমরা সবসময় রেডি থাকি রে"! দেবী মনে মনে ভাবলো, স্বর্গ থেকে মর্তে আসতে আমার কি তাহলে ৩০০বছর লেগে গেলো! তারপর দেবী বলল,'আমার পুজো, আমারই পারমিশন নেওয়ার প্রয়োজন হলো না! এটা কিন্তু অন্যায়।" ওপার থেকে উত্তর, 'কুৎসা করবেন না! রাজ্যে গণতন্ত্র আছে! আইন আছে! আইন আইনের পথে চলে! ৩৪ বছর আপনি আপনার ইচ্ছে মতন চলেছেন, আর নয়! ভুলে যাবেন না আমিও শীঘ্রই সেন্ট উপাধি পেতে চলেছি!"
হতাশ হয়ে এবারে দুর্গা বলল,' কোন অসুরটাকে মারবো সেটা তুমিই তাহলে ঠিক করো! একটা যদিও বা জেলে বন্দি ছিল সেটাকেও জামিন করিয়ে দিলে! আরেকটার তো এমনিতেই অক্সিজেন কম যায়! ও ব্যাটা তো লড়তেও পারবে না! আবার নতুন নিয়ম করেছ, সিন্ডিকেট থেকে যে অসুর নিয়ে কাজ চালিয়ে তাতেও হাজার ঝামেলা! কোন মালটা মিনিমাম আর কোনটা ম্যাক্সিমাম সেটা বুঝতেই তো বছর ঘুরে যাবে!' ওপার থেকে, " আপনাকে বেশি চাপ নিতে হবেনা! আমি অধিকারীকে বলে দিয়েছি, ও অটো নিয়ে বেরিয়ে পড়েছে অসুর অপহরণ করতে। পেলেই ফোন করবে।"